হারুন-অর-রশীদ
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের সাহিদা বেগম (৩৫) পিতা মৃত- সাহেদ কাজীর মেয়ে দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। অশিক্ষিত হওয়াই তার অর্জিত আয়ের একটা অংশ তার আপন চাচা আবেদ আলী কাজী (৪৫) ও চাচী খালেদা বেগম (৩৮) এর কাছে গচ্ছিত রাখে। শহিদা দেশে ফিরে টাকা চাইলে, তাকে ও তার ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়ে দেবে বলে প্রস্তাব দেয়। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও বিদেশ না পাঠালে শাহিদা টাকা দাবী করে। শহিদার চাচী খালেদা বেগম ফরিদপুর মহাবিদ্যালয় সংলগ্ন বাড়িতে ডেকে নিয়ে তার চাচাতো বোন এর সহযোগীতায় বাথরুমে গোসল করার সময় অশ্লিল ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও ফেসবুক ও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবে বলে হুমকি দেয়। ইতোমধ্যে শাহিদা বেগমের অশ্লিল ভিডিওটি শাহিদা বেগমের ছেলে শহিদুলের মোবাইলে ইমোর মাধ্যমে পাঠিয়ে বলা হয়েছে ম্যাসেজে দেখতো তোর মায়ের ভিডিও পাঠনো হলো কেমন হয়েছে ? তার চাচী জানায়, টাকা দাবী করলে এই ভিডিও গ্রামের মানুষকে দেখাবো। এছাড়া খালেদার ধর্ম ভাই ফারুককে দিয়ে শাহিদাকে একাধিক বার ধর্ষণ করানোর চেষ্টা করেন। থানায় অভিযোগ করলে তাকে ও তার ছেলেকে মেরে ফেলবে ও এলাকায় থাকতে দেবে না বলে ভয়-ভীতি দেখায়। এসকল অভিযোগ তুলে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় ৩০/০৮/২০১৬খ্রিঃ শাহিদা বেগম একটি অভিযোগ দাখিল করেন। বিষয়টি থানার এস.আই বিপুল চন্দ্র দে আমলে নিয়ে তদন্ত করে দেখবে ও অপরাধ প্রমাণ হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে সাংবাদিকদের জানায়। খোজ নিয়ে জানা যায়, খালেদা বেগমের স্বামী বিদেশ থাকায় তিনি দীর্ঘদিন ভিসার ব্যবসা করে আসছেন। বিদেশে পাঠানোর নামে অনেক পুরুষ ও মহিলার কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছে। বিদেশ পাঠানো সংক্রান্ত মামলায় ইতি পূর্বে খালেদা বেগম হাজতে বাসও করেছেন। ২২আগষ্ট মন্ত্রি সভায় অশ্লিল ও পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত অপরাধে আইন করায়, বাদী ন্যায় বিচার পাবে বলে আশা করছে স্থানীয় সুশীল সমাজ।

0 comments :
Post a Comment