ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের বাবুরচর খালাসী ডাঙ্গী গ্রামের দাদন ব্যাপারীকে হত্যার পর এবার মামলার বাদীসহ পরিবারের সদস্যদের হুমকী ধামকী দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি। যদিও পুলিশের দাবী, আসামীরা পালিয়ে থাকায় তাদের আটক করা সম্ভব হচ্ছেনা। আর নিহতের পরিবারকে হুমকী প্রদানের বিষয় পুলিশের জানা নেই বলেও দাবী পুলিশের।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, চার বছর আগে প্রতিবেশীর নারীর ঘটকালী করে বিয়ে দেবার দুই বছর পর বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবছরের ২৮ জানুয়ারী প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালায় দাদন ব্যাপারীর উপর। গুরুত্বর আহতাবস্থায় তাকে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। গত ০৭ ফেব্রুয়ারী তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়ার একদিন পর ০৮ ফেব্রুয়ারী ফের অসুস্থ হয়ে মারা যান তিনি।
নিহতের স্ত্রী মমতাজ বেগম ও স্বজনদের অভিযোগ বেধড়ক মারপিটের সময় বারবার মাপ চেয়ে ও হাতে পায়ে ধরেও থামানো যায়নি হামলাকারীদের। এমন কি হামলার পর হাসপাতালে নিতেও বাঁধা দেয়া হয় বলে দাবী স্বজনদের। এমন ঘটনায় তারা হতবিহব্বল।
মামলার বাদী ও নিহতের বড় ছেলে মো. লিয়াকত আলী ব্যাপারী জানান, হত্যাকান্ডের পর মামলা করতে গেলে শুরু থেকেই নানা টালবাহানা করতে থাকে পুলিশ। পুলিশ ইচ্ছামত এজাহার সাজিয়ে মামলা নিলেও কোন আসামীকে গ্রেফতার না করায় তারা এখন উল্টো নিহতের পরিবারকেই হুমকী দিচ্ছে। আদালত প্রাঙ্গনে তাকে (বাদীকে) মারধরও করা হয় বলে দাবী করেন তিনি। তিনি জানান পুলিশকে বিষয়গুলো জানানো হলেও আমলে নিচ্ছেন না তারা। তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে আসামীদের পক্ষপাতিত্বেরও অভিযোগ করেন।
নিহতের ছোট ছেলে সোহাগ ব্যাপারী জানান, আসামীদের ক্রমাগত হুমকী ও পুলিশের নিরবতায় তারা শংকিত। যে কোন সময় ফের হামলার শংকা তার। এতে স্বাধীনভাবে চলাফেরাও করতে পারছেন না বলে দাবী করেন তিনি।
নিহতের প্রতিবেশী রুমা আক্তরি, নিলুফা বেগমসহ স্থানীয়রা মনে করেন, এমন প্রকাশ্য হামলা ও হত্যার ঘটনায় বিচার না হলে ভবিষ্যতে অপরাধ বাড়বে এবং এমন ঘটনাকে আরো উৎসাহিত করবে। তাই এ হত্যাকান্ডে ন্যায় বিচার দাবী সকলের।
এদিকে বাদীর অভিযোগ অস্বিকার করে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ লুৎফর রহমান জানান, আসামীরা এলাকায় না থাকায় গ্রেফতার করা যায়নি। তিনি অবিলম্বে এ মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানান। #
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের বাবুরচর খালাসী ডাঙ্গী গ্রামের দাদন ব্যাপারীকে হত্যার পর এবার মামলার বাদীসহ পরিবারের সদস্যদের হুমকী ধামকী দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি। যদিও পুলিশের দাবী, আসামীরা পালিয়ে থাকায় তাদের আটক করা সম্ভব হচ্ছেনা। আর নিহতের পরিবারকে হুমকী প্রদানের বিষয় পুলিশের জানা নেই বলেও দাবী পুলিশের।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, চার বছর আগে প্রতিবেশীর নারীর ঘটকালী করে বিয়ে দেবার দুই বছর পর বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবছরের ২৮ জানুয়ারী প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালায় দাদন ব্যাপারীর উপর। গুরুত্বর আহতাবস্থায় তাকে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। গত ০৭ ফেব্রুয়ারী তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়ার একদিন পর ০৮ ফেব্রুয়ারী ফের অসুস্থ হয়ে মারা যান তিনি।
নিহতের স্ত্রী মমতাজ বেগম ও স্বজনদের অভিযোগ বেধড়ক মারপিটের সময় বারবার মাপ চেয়ে ও হাতে পায়ে ধরেও থামানো যায়নি হামলাকারীদের। এমন কি হামলার পর হাসপাতালে নিতেও বাঁধা দেয়া হয় বলে দাবী স্বজনদের। এমন ঘটনায় তারা হতবিহব্বল।
মামলার বাদী ও নিহতের বড় ছেলে মো. লিয়াকত আলী ব্যাপারী জানান, হত্যাকান্ডের পর মামলা করতে গেলে শুরু থেকেই নানা টালবাহানা করতে থাকে পুলিশ। পুলিশ ইচ্ছামত এজাহার সাজিয়ে মামলা নিলেও কোন আসামীকে গ্রেফতার না করায় তারা এখন উল্টো নিহতের পরিবারকেই হুমকী দিচ্ছে। আদালত প্রাঙ্গনে তাকে (বাদীকে) মারধরও করা হয় বলে দাবী করেন তিনি। তিনি জানান পুলিশকে বিষয়গুলো জানানো হলেও আমলে নিচ্ছেন না তারা। তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে আসামীদের পক্ষপাতিত্বেরও অভিযোগ করেন।
নিহতের ছোট ছেলে সোহাগ ব্যাপারী জানান, আসামীদের ক্রমাগত হুমকী ও পুলিশের নিরবতায় তারা শংকিত। যে কোন সময় ফের হামলার শংকা তার। এতে স্বাধীনভাবে চলাফেরাও করতে পারছেন না বলে দাবী করেন তিনি।
নিহতের প্রতিবেশী রুমা আক্তরি, নিলুফা বেগমসহ স্থানীয়রা মনে করেন, এমন প্রকাশ্য হামলা ও হত্যার ঘটনায় বিচার না হলে ভবিষ্যতে অপরাধ বাড়বে এবং এমন ঘটনাকে আরো উৎসাহিত করবে। তাই এ হত্যাকান্ডে ন্যায় বিচার দাবী সকলের।
এদিকে বাদীর অভিযোগ অস্বিকার করে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ লুৎফর রহমান জানান, আসামীরা এলাকায় না থাকায় গ্রেফতার করা যায়নি। তিনি অবিলম্বে এ মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানান। #

0 comments :
Post a Comment