ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এক ন্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় রাঙ্গামুরলাকান্দি হাজী আব্দুল্লাহ একাডেমীর ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ইউনুস আলীকে ফাঁসিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই শিক্ষককে বর্তমানে স্কুল ক্যাম্পাসে যেতে দেয়া হচ্ছেনা।
শিক্ষক ইউনুস আলী জানান, তিনি ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকুরীরত রয়েছেন। ইতিপূর্বে একবার তিনি ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ওই শিক্ষক দাবী করেন, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে তিনি যাতে নির্বাচনে দাঁড়াতে না পারেন সে লক্ষ্যে তাকে সপ্তম শ্রেনীর এক ছাত্রীর সাথে অশোভন আচরনের অভিযোগ এনে ফাঁসিয়ে দেয়া হয়। এক পর্যায়ে তাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা হয়।
তিনি জানান, পরবর্তীতে ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য ও ইউপি নির্বাচনে অংশ নেয়া আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী মো. মোকাদ্দেস হোসেন তার পক্ষে কাজ করতে তাকে (ইউনুস আলীকে) চাপ প্রয়োগ করেন। কিন্তু তিনি (ইউনুস আলী) মোকাদ্দেস হোসেনের পক্ষে কাজ না করে অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোশারফ হোসেনের পক্ষে করায় তিনি (মোকাদ্দেস হোসেন) ক্ষুব্দ হয়। পরে ২৮ মে নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী মোশারফ হোসেন এর থেকে ১৬১ ভোটের ব্যাধানে মোকাদ্দেস হোসেন পরাজিত হন। এরপর থেকেই তিনি (মোকাদ্দেস হোসেন) বিক্ষুব্দ হয়ে ওই শিক্ষক যাতে বিদ্যালয়ে যেতে না পারে সে লক্ষে এলাকাবাসীকে সংগঠিত করছেন, এমনকি স্কুলের সামনের সড়কে পাহারা বসিয়ে রেখেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. আব্দুর রহমান মাস্টার জানান, গত মার্চ মাসের ১৭ মার্চ তারিখে সপ্তম শ্রেনীর এক ছাত্রীর সাথে অশোভন আচরনের অভিযোগ উঠলে ১৯ মার্চ পরিচালনা পর্ষদের সভা ডেকে তাৎক্ষণিক তাকে দুই মাসের অর্জিত ছুটি দেয়া হয়। পরবর্তীতে একটি মৌখিক তদন্ত কমিটি করা হলে ওই কমিটির সদস্যরা তাকে নির্দোষ দাবী করায় মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পুনরায় পরিচালনা পর্ষদের সভা ডেকে সর্ব সম্মতিক্রমে তার (ইউনুস আলী) উপর থেকে অভিযোগ তুলে নেয়া হয়। এদিকে ১৯ মে তার (ইউনুস আলী) ছুটির মেয়াদ শেষ হলে তিনি পুনরায় এক মাসের অসুস্থতাজনিত ছুটি চেয়ে আবেদন করেন।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আয়ুব আলী মৃধা জানান, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত মতেই ইউনুস আলী মাস্টারের বিরুদ্ধে উপস্থাপিত হওয়া সকল অভিযোগ তুলে নেয়া হয়। নির্বাচনের পর ২৯ মে গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষে স্কুল খোলার পর থেকে নতুন করে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, ২৯ মে থেকে ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন।
আর বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসাহী সদস্য ও নির্বাচনে অংশ নেয়া চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মোকাদ্দেস হোসেন জানান, নির্বাচনের সাথে এ ঘটনার কোন সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বলেন, স্কুলের অবিভাবকরা ক্ষুব্দ থাকায় সে স্কুলে আসতে পারছেনা। তিনি বলেন, স্কুলের স্বার্থে আমরা যেকোন ধরনের সিদ্ধান্ত নেব এবং আগামী পরিচালনা পর্ষদের সভায় সেটি নির্ধারিত হবে।
আর স্কুল গেটে জড়ো হয়ে থাকা ব্যাক্তিরা জানান, তারা ইউনুস আলীকে প্রতিহত করতে সংঘবদ্দ হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকের সন্তান প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং অনেকের সন্তান স্কুলে বর্তমানে না থাকলেও এলাকার কথা বিবেচনা করে তারা পাহারা বসিয়েছেন বলে দাবী করেন। #
মো. মনিরুল ইসলাম টিটো
ফরিদপুর ০১৭১৬৩৪৬০৩০
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এক ন্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় রাঙ্গামুরলাকান্দি হাজী আব্দুল্লাহ একাডেমীর ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ইউনুস আলীকে ফাঁসিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই শিক্ষককে বর্তমানে স্কুল ক্যাম্পাসে যেতে দেয়া হচ্ছেনা।
শিক্ষক ইউনুস আলী জানান, তিনি ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকুরীরত রয়েছেন। ইতিপূর্বে একবার তিনি ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ওই শিক্ষক দাবী করেন, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে তিনি যাতে নির্বাচনে দাঁড়াতে না পারেন সে লক্ষ্যে তাকে সপ্তম শ্রেনীর এক ছাত্রীর সাথে অশোভন আচরনের অভিযোগ এনে ফাঁসিয়ে দেয়া হয়। এক পর্যায়ে তাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা হয়।
তিনি জানান, পরবর্তীতে ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য ও ইউপি নির্বাচনে অংশ নেয়া আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী মো. মোকাদ্দেস হোসেন তার পক্ষে কাজ করতে তাকে (ইউনুস আলীকে) চাপ প্রয়োগ করেন। কিন্তু তিনি (ইউনুস আলী) মোকাদ্দেস হোসেনের পক্ষে কাজ না করে অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোশারফ হোসেনের পক্ষে করায় তিনি (মোকাদ্দেস হোসেন) ক্ষুব্দ হয়। পরে ২৮ মে নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী মোশারফ হোসেন এর থেকে ১৬১ ভোটের ব্যাধানে মোকাদ্দেস হোসেন পরাজিত হন। এরপর থেকেই তিনি (মোকাদ্দেস হোসেন) বিক্ষুব্দ হয়ে ওই শিক্ষক যাতে বিদ্যালয়ে যেতে না পারে সে লক্ষে এলাকাবাসীকে সংগঠিত করছেন, এমনকি স্কুলের সামনের সড়কে পাহারা বসিয়ে রেখেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. আব্দুর রহমান মাস্টার জানান, গত মার্চ মাসের ১৭ মার্চ তারিখে সপ্তম শ্রেনীর এক ছাত্রীর সাথে অশোভন আচরনের অভিযোগ উঠলে ১৯ মার্চ পরিচালনা পর্ষদের সভা ডেকে তাৎক্ষণিক তাকে দুই মাসের অর্জিত ছুটি দেয়া হয়। পরবর্তীতে একটি মৌখিক তদন্ত কমিটি করা হলে ওই কমিটির সদস্যরা তাকে নির্দোষ দাবী করায় মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পুনরায় পরিচালনা পর্ষদের সভা ডেকে সর্ব সম্মতিক্রমে তার (ইউনুস আলী) উপর থেকে অভিযোগ তুলে নেয়া হয়। এদিকে ১৯ মে তার (ইউনুস আলী) ছুটির মেয়াদ শেষ হলে তিনি পুনরায় এক মাসের অসুস্থতাজনিত ছুটি চেয়ে আবেদন করেন।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আয়ুব আলী মৃধা জানান, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত মতেই ইউনুস আলী মাস্টারের বিরুদ্ধে উপস্থাপিত হওয়া সকল অভিযোগ তুলে নেয়া হয়। নির্বাচনের পর ২৯ মে গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষে স্কুল খোলার পর থেকে নতুন করে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, ২৯ মে থেকে ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন।
আর বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসাহী সদস্য ও নির্বাচনে অংশ নেয়া চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মোকাদ্দেস হোসেন জানান, নির্বাচনের সাথে এ ঘটনার কোন সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বলেন, স্কুলের অবিভাবকরা ক্ষুব্দ থাকায় সে স্কুলে আসতে পারছেনা। তিনি বলেন, স্কুলের স্বার্থে আমরা যেকোন ধরনের সিদ্ধান্ত নেব এবং আগামী পরিচালনা পর্ষদের সভায় সেটি নির্ধারিত হবে।
আর স্কুল গেটে জড়ো হয়ে থাকা ব্যাক্তিরা জানান, তারা ইউনুস আলীকে প্রতিহত করতে সংঘবদ্দ হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকের সন্তান প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং অনেকের সন্তান স্কুলে বর্তমানে না থাকলেও এলাকার কথা বিবেচনা করে তারা পাহারা বসিয়েছেন বলে দাবী করেন। #
মো. মনিরুল ইসলাম টিটো
ফরিদপুর ০১৭১৬৩৪৬০৩০


0 comments :
Post a Comment