ময়না আক্তার (২২) নামের এক গৃহবধূ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি মানসিক হতাশা থেকে এ কাজ করেছেন বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া মো. সুজন (৩০) নামের ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের এক কর্মচারী আত্মহত্যা করেছেন বলে ঢামেক সূত্র জানায়।
রোববার সকালে পৃথক ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহত ময়নার ভাই তাজুল ইসলাম জানান, ভোরে তিনি হাসপাতালের নয়তলায় ঘুমিয়ে ছিলেন। পাশেই বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন ময়না। ঘুম থেকে উঠি তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে দেখেন নিচে ময়নার রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে।
তিনি আরো জানান, ময়না সন্তানসম্ভবা ছিলেন। গত ৬ জুন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে দেখা যায়, তার পেটের সন্তান মারা গেছে। এরপর তার কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়। এ নিয়ে তার মধ্যে হাতাশা দেখা দেয়। ময়না কয়েকবার বলেছিলেন যে, আর বেঁচে থেকে কী লাভ। আর এ হাতাশা থেকে ময়না লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত ময়নার গ্রামের বাড়ি গাজীপুর জেলায়।
এদিকে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের তৃতীয়তলা থেকে পড়ে যান সুজন। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে সুজন নিজে লাফিয়ে পড়েছেন, নাকি কেউ তাকে ফেলে দিয়েছেন সেটির তদন্ত চলছে বলে হাসপাতালের ফাঁড়ি ইনচার্জ মোজাম্মেল হক জানান।
0 comments :
Post a Comment