বোয়ালমারী (ফরিদপুর) সংবাদদাতা ঃ
ফরিদপুরের উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রো কর্মরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোরশেদ আলমকে মারধরের অভিযোগে বোয়ালমারী থানায় মামলা হয়েছে।
জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল ৬টার দিকে জিহাদ (২৫) নামের এক যুবক কমপ্লেক্রা চত্বরে সরকারি বাসভবনের চেম্বারে ঢুকে তাকে মারধর করে। জিহাদ ওই হাসপাতালের বদলিকৃত ডা. খালেদুর রহমানের ব্যক্তিগত কর্মচারী। জিহাদের বাড়ি পৌরসভার সোতাসী গ্রামে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাত ৯টায় ডা. মোরশেদ আলম বাদি হয়ে জিহাদকে একমাত্র আসামী করে থানায় মামলা দিয়েছেন।
অপরদিকে মামলার বিবরনে প্রকাশ, শুক্রবার বিকেলে ডা. মোরশেদ আলম হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্মরত থাকা অবস্থায় তাকে কোন কারন ছাড়াই মারধর করা হয়। তবে ঘটনার সময় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই দুই ডাক্তারের রোগী দেখার রেষারেষি নিয়ে জিহাদ মোরশেদকে তার বাসার চেম্বারে মারধর করে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডা. খালেদ বর্তমানে ঢাকার চানখারপুল যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রন হাসপাতালে কর্মরত। তিনি সপ্তাহে এক দিন প্রতি শুক্রবার হাসপাতাল রোডের আল-আমিন ডায়াগস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন। একটি সূত্র জানায়, ডা. খালেদের অনুপস্থিতে তার এক পুরনো রোগী মোরশেদ আলমকে দেখাতে গেলে তিনি ডা. খালেদের চিকিৎসা দক্ষতা নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন। বিষয়টি ওই রোগী শুক্রবার ডা. খালেদকে জানালে তিনি মোরশেদ আলমকে ফোনে এসব কথা বলার কৈফিয়াত চাইলে দু’জনের মধ্যে উত্তপ্তবাক্য বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে ডা. খালেদের ব্যক্তিগত কর্মচারী ও রোগীর সিরিয়াল লেখক জিহাদ ডা. মোরশেদ আলমের চেম্বারে ঢুকে মারধর করে।
এপ্রসঙ্গে ডা. খালেদুর রহমান বলেন, মোরশেদের সাথে ফোনে কথা হয়েছিল। তাকে মারধরের বিষয়টি আমি জানি না।
মোরশেদ আলমকে মারধরের ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. তাপস কুমার পাল বলেন, ঘটনাটি লজ্জাজনক। হাসপাতালের ভেতরে এ ঘটনা যাতে আর ভবিষ্যতে না ঘটে সে জন্য সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।
এপ্রসঙ্গে জেলা সির্ভিল সার্জন ডা. অরুন কান্তি বিশ্বাস জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। এ ধরনের ঘটনা কি কারনে ঘটেছে আমি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব। হাসপাতালের অভ্যন্তরে ডাক্তারদের চেম্বারে রোগী নিয়ে টানাটানির খবরে তিনি বলেন, অচিরেই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিন চার দিনের মধ্যে আপনারা এর ফল পাবেন। #

0 comments :
Post a Comment