গরুর দুধের চেয়েও বেশি পুষ্টিকর তেলাপোকার দুধ!

তেলাপোকা এখন আর অবহেলার নয়। কারণ তেলাপোকার দুধে রয়েছে গরুর দুধের থেকেও ৪ গুণ বেশি পুষ্টি। এমনই চমকপ্রদ তথ্য জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

এখানে একটা প্রশ্ন করতে পারেন- তেলাপোকারা কবে থেকে তাদের শরীরে দুধ তৈরি করছে। তারা তো স্তন্যপায়ী নয়। এর উত্তরটা হলো, সব তেলাপোকা নয়। তবে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পাওয়া বিশেষ প্রজাতির প্যাসিফিক বিটল তেলাপোকা নিজেদের শরীরে দুধ তৈরি করতে পারে। এই প্রজাতির তেলাপোকারা গর্ভে সন্তান ধারণ করে। তারপর মা তেলাপোকা সন্তান জন্ম দিয়ে পুষ্টি দিতে নিজের শরীরের মধ্যেই এক ধরনের সাদা তরল খাবার তৈরি করে। এই খাবারই হলো তেলাপোকার দুধ।

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল তাদের গবেষণায় দেখেছেন, ওই সাদা তরল একটি সম্পূর্ণ সুষম খাবার। এর মধ্যে স্ফটিকের আকারে রয়েছে অসংখ্য প্রোটিন, চিনি এমনকি স্নেহজাতীয় পদার্থও (লিপিড)। যা খেলেই মিলবে ইনস্ট্যান্ট এনার্জি। এমনকি প্রোটিন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাতে সব রকমের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডও বিদ্যমান।

বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি মুগ্ধ করেছে তা হলো, প্যাসিফিক বিটল তেলাপোকার একটি একক প্রোটিন স্ফটিকে একটি মহিষের দুধে থাকা প্রোটিনের চেয়ে তিনগুণ পরিমাণ বেশি প্রোটিন রয়েছে এবং গরুর দুধের তুলনায় ৪ গুণ বেশি।

বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, তেলাপোকার দুধ ভবিষ্যতে প্রোটিনের সম্পূরক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। তবে তেলাপোকা যেহেতু খুব ক্ষুদ্র প্রাণী, তাই এতটুকু প্রাণীর দুধের পরিমাণ কতটুকু সেটা সহজেই অনুমেয়। সুতরাং স্পষ্টতই একটি দুগ্ধ উৎপন্নকারী তেলাপোকা মানুষের দুধের চাহিদা মিটানোর সবচেয়ে সম্ভবপর বিকল্প নয়।
 তেলাপোকা এখন আর অবহেলার নয়। কারণ তেলাপোকার দুধে রয়েছে গরুর দুধের থেকেও ৪ গুণ বেশি পুষ্টি। এমনই চমকপ্রদ তথ্য জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

এখানে একটা প্রশ্ন করতে পারেন- তেলাপোকারা কবে থেকে তাদের শরীরে দুধ তৈরি করছে। তারা তো স্তন্যপায়ী নয়। এর উত্তরটা হলো, সব তেলাপোকা নয়। তবে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পাওয়া বিশেষ প্রজাতির প্যাসিফিক বিটল তেলাপোকা নিজেদের শরীরে দুধ তৈরি করতে পারে। এই প্রজাতির তেলাপোকারা গর্ভে সন্তান ধারণ করে। তারপর মা তেলাপোকা সন্তান জন্ম দিয়ে পুষ্টি দিতে নিজের শরীরের মধ্যেই এক ধরনের সাদা তরল খাবার তৈরি করে। এই খাবারই হলো তেলাপোকার দুধ।

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল তাদের গবেষণায় দেখেছেন, ওই সাদা তরল একটি সম্পূর্ণ সুষম খাবার। এর মধ্যে স্ফটিকের আকারে রয়েছে অসংখ্য প্রোটিন, চিনি এমনকি স্নেহজাতীয় পদার্থও (লিপিড)। যা খেলেই মিলবে ইনস্ট্যান্ট এনার্জি। এমনকি প্রোটিন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাতে সব রকমের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডও বিদ্যমান।

বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি মুগ্ধ করেছে তা হলো, প্যাসিফিক বিটল তেলাপোকার একটি একক প্রোটিন স্ফটিকে একটি মহিষের দুধে থাকা প্রোটিনের চেয়ে তিনগুণ পরিমাণ বেশি প্রোটিন রয়েছে এবং গরুর দুধের তুলনায় ৪ গুণ বেশি।

বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, তেলাপোকার দুধ ভবিষ্যতে প্রোটিনের সম্পূরক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। তবে তেলাপোকা যেহেতু খুব ক্ষুদ্র প্রাণী, তাই এতটুকু প্রাণীর দুধের পরিমাণ কতটুকু সেটা সহজেই অনুমেয়। সুতরাং স্পষ্টতই একটি দুগ্ধ উৎপন্নকারী তেলাপোকা মানুষের দুধের চাহিদা মিটানোর সবচেয়ে সম্ভবপর বিকল্প নয়।

তাই বিজ্ঞানীদের আন্তর্জাতিক দল যার নেতৃত্বে রয়েছে স্টেম সেল বায়োলজি ইনস্টিটিউট ও ভারতের রিজেনারেটিভ মেডিসিনের একদল বিজ্ঞানী, তারা এবার প্যাসিফিক বিটল তেলাপোকার দুধ প্রোটিন স্ফটিক উৎপাদন সৃষ্টিকারী জিন ক্রম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এটা দেখার জন্য যে তারা এর প্রতিলিপি তাদের ল্যাবে উৎপন্ন করতে পারবেন কিনা।

পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা অনেক বড় স্ফটিক উৎপাদনে প্রত্যাশী যেন সামান্য বেশি দক্ষ তেলাপোকা থেকে স্ফটিক আহরণ আগের তুলনায় বেশি হয়। গবেষণাটি আন্তর্জাতিক স্ফোটিকবিজ্ঞান ইউনিয়নের জার্নাল আইইউসিআরজেতে প্রকাশিত হয়েছে।
তাই বিজ্ঞানীদের আন্তর্জাতিক দল যার নেতৃত্বে রয়েছে স্টেম সেল বায়োলজি ইনস্টিটিউট ও ভারতের রিজেনারেটিভ মেডিসিনের একদল বিজ্ঞানী, তারা এবার প্যাসিফিক বিটল তেলাপোকার দুধ প্রোটিন স্ফটিক উৎপাদন সৃষ্টিকারী জিন ক্রম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এটা দেখার জন্য যে তারা এর প্রতিলিপি তাদের ল্যাবে উৎপন্ন করতে পারবেন কিনা।

পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা অনেক বড় স্ফটিক উৎপাদনে প্রত্যাশী যেন সামান্য বেশি দক্ষ তেলাপোকা থেকে স্ফটিক আহরণ আগের তুলনায় বেশি হয়। গবেষণাটি আন্তর্জাতিক স্ফোটিকবিজ্ঞান ইউনিয়নের জার্নাল আইইউসিআরজেতে প্রকাশিত হয়েছে।
Share on Google Plus

About faridpur info 24

Faridpurinfo24.com-ফরিদপুরের তথ্য বাতায়নে আপনাদের স্বাগতম। ফরিদপুরের সকল খবরাখবর আপনাদের কাছে পৌছে দিতেই আমাদের এই প্রয়াশ। আপনার সকল মতামত ও বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন। সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. মনিরুল ইসলাম টিটো ফরিদপুর । মোবাইল: ০১৭১৬৩৪৬০৩০

0 comments :

Post a Comment