ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়ায় দুই চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এঘটনায় আরো অন্তত ২০জন আহত হয়েছে। রোববার সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলায় ১০/১২ বাড়ীঘর ভাংচুর হয়। উভয় পক্ষই আওয়ামীলীগের সমর্থক।
নিহতের নাম মো. জিয়া শেখ (৩০)। সে গোয়ালপাড়া গ্রামের মো. শাহােেযাদ্দি শেখের পুত্র।
স্থাণীয়রা জানায়, সদর উপজেলা ও সালথা উপজেলার সীমান্তবর্তী রনকাইল বিল ভোগদখলকে কেন্দ্র কলে সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও কানাইপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফকির বেলায়েত হোসেনের সাথে সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সালথা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম খাঁন সোহাগের বিরোধ চলে আসছিল। এনিয়ে একাধিকবার উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
শনিবার রাতে সালথা উপজেলার সীমান্তবর্তী ঘোষের বাজারে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোহাগ চেয়ারম্যানের ব্যাক্তিগত গাড়ী চালক মো. সুজনের সাথে বেলায়েত চেয়ারম্যানের সমর্থক আব্দুর রাজ্জাক ও মনা খাঁ’র কথা কাটাকাটি হয়।
এনিয়ে রোববার সকাল থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে সোহাগ চেয়ারশ্যানের পক্ষের সমর্থক জিয়া নিহত হয়। এসময় আরো অন্তত ২০জন আহত হয়। আহদতের মধ্যে ১৫ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।
এদিকে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার সুভাষ সাহা সংঘর্ষে এক ব্যাক্তি নিহত হওয়ার বিষয়টি স্বিকার করে জানান, ফরিদপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ফরিদপুরের সালথার উপজেলার আটঘর ইউপির চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম খান সোহাগ জানান, রোববার সকালে কানাইপুর ইউপির চেয়ারম্যান ফকির বেলায়েত হোসেনের সমর্থকরা অর্তিকতে আমার ও আমাদের সমর্থকদের বাড়ী উপর হামলা করে। এসময় তারা আমার এলাকার জিয়া শেখ নামের এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে এবং অন্তত ২০ জনকে আহত করে।
এসময় হামলাকারীরা সুজন মাতুব্বর, আবজাল হোসেন, লিয়াকত হোসেন খানসহ ১০/১২টি ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে।
অন্যদিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাউপুর ইউপির চেয়ারম্যান ফকির বেলায়েত হোসেন জানান, এই হামলার সাথে আমার কিংবা আমার কোনো লোক জড়িত নয় । তিনি বলেন, সালথা উপজেলার আটঘর ইউপির সাথে আমার কোনো বিরোধ নেই। আমি হামলা করতে যাবো কেনো? #





0 comments :
Post a Comment