ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের চন্ডিবিলা গ্রামে বুধবার (১৫.০৫.১৯) সকালে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছে। এসময় উভয় পক্ষের ১০-১২ টি বাড়িঘর ভাংচুর হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে কাজী রফিউদ্দিন নামের একজনকে ফরিদপুর থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও ঘোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেন ও তার সমর্থকদের সাথে চন্ডিবিলা গ্রামের কাজী রফিউদ্দিন ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. চাঁন মিয়া সমর্থক ৮নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি আবু বক্কর ও তার সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি ঘোষপুর ইউনিয়নের চন্ডিবিলা মধুমতি নদীর বালুমহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
সংঘর্ষে চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের পক্ষের মুন্নু মোল্যা (৪০), স্থানীয় আওয়ামী লীগ সমর্থক কাজী রফিউদ্দিন (৫৫), তার ছেলে কাজী শিমুল (৩২), কাজী শামীম (৩০), সাইফার (৩৫), মোস্তফা মোল্যা (৫০), সাইফুর রহমান (৫০), আব্দুর রাজ্জাক (৭০), মতিয়ার রহমান (৪৫), কবির হোসেন (৫৫) ও সাহেব আলী (৩৫) কে গুরুত্বর অহতাবস্থায় বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অপরদিকে চাঁন মিয়ার পক্ষের ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি আ. রাজ্জাক (৬০), ইউনিয়ন আ.লীগের সহ-সভাপতি (৫৫), ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন (৩৭) সহ কয়েকজন আহত হয়েছে। উভয় পক্ষের আরো ১০-১২জনকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেন বলেন, বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান চাঁন মিয়া সমর্থক ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জামাল মেম্বার ও আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয় সাধারণ মানুষদের উপর। তিনি আরো জানান, হ৮ামলাকারীরা তার পক্ষের অন্তত ১০টি বাড়ীতে হামলা চালিযে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এ ঘটনায় তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন।
আওয়ামী লীগ নেতা ও ঘোষপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান চাঁন মিয়া বলেন, আগের দিন রাতে আমার লোকদের উপর ঘোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের লোকেরা হামলা চালিয়ে আহত করে। এ কারণে এ ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে।
বোয়ালমারী থানা অফিসার ইনচার্জ একেএম শামীম হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। কোন পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি বলেও জানান তিনি। #
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের চন্ডিবিলা গ্রামে বুধবার (১৫.০৫.১৯) সকালে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছে। এসময় উভয় পক্ষের ১০-১২ টি বাড়িঘর ভাংচুর হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে কাজী রফিউদ্দিন নামের একজনকে ফরিদপুর থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও ঘোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেন ও তার সমর্থকদের সাথে চন্ডিবিলা গ্রামের কাজী রফিউদ্দিন ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. চাঁন মিয়া সমর্থক ৮নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি আবু বক্কর ও তার সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি ঘোষপুর ইউনিয়নের চন্ডিবিলা মধুমতি নদীর বালুমহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
সংঘর্ষে চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের পক্ষের মুন্নু মোল্যা (৪০), স্থানীয় আওয়ামী লীগ সমর্থক কাজী রফিউদ্দিন (৫৫), তার ছেলে কাজী শিমুল (৩২), কাজী শামীম (৩০), সাইফার (৩৫), মোস্তফা মোল্যা (৫০), সাইফুর রহমান (৫০), আব্দুর রাজ্জাক (৭০), মতিয়ার রহমান (৪৫), কবির হোসেন (৫৫) ও সাহেব আলী (৩৫) কে গুরুত্বর অহতাবস্থায় বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অপরদিকে চাঁন মিয়ার পক্ষের ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি আ. রাজ্জাক (৬০), ইউনিয়ন আ.লীগের সহ-সভাপতি (৫৫), ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন (৩৭) সহ কয়েকজন আহত হয়েছে। উভয় পক্ষের আরো ১০-১২জনকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেন বলেন, বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান চাঁন মিয়া সমর্থক ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জামাল মেম্বার ও আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয় সাধারণ মানুষদের উপর। তিনি আরো জানান, হ৮ামলাকারীরা তার পক্ষের অন্তত ১০টি বাড়ীতে হামলা চালিযে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এ ঘটনায় তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন।
আওয়ামী লীগ নেতা ও ঘোষপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান চাঁন মিয়া বলেন, আগের দিন রাতে আমার লোকদের উপর ঘোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের লোকেরা হামলা চালিয়ে আহত করে। এ কারণে এ ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে।
বোয়ালমারী থানা অফিসার ইনচার্জ একেএম শামীম হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। কোন পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি বলেও জানান তিনি। #

0 comments :
Post a Comment