ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে ওই ইউনিয়নের প্রতিবন্ধিদের নামে বরাদ্দের ভাতার টাকা আত্মসাতের যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয় বলে দাবী করেছেন ওই চেয়ারম্যান। আর এ অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি নিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন। এসময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার বিশ্বাস, ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ফুল মিয়া, ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার গোলাম রসুল, ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার কামরুল ইসলাম, ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার নান্নু মিয়া, ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাকিম খালাসী, সংরক্ষিত নারী সদস্য অপু সরকার, মনোয়ারা বেগম, আলেয়া বেগমসহ ভাতাপ্রাপ্ত কয়েকজন সুবিধাভোগী উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে ঘোষপুর ইউনিয়নে প্রতিবন্ধিদের ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকাশিত ওই খবরের প্রতিবাদ করেন সংশ্লিষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।
ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেন বলেন, ইউপি ও উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদেরই দলের মধ্যে থাকা একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে লেগেছে। তাই সাংবাদিকদের ভুল তথ্য সরবরাহ করে নানাভাবে এই অভিযোগ উত্থাপন করেছে। যার সাথে আমার কোনই সংশ্লিষ্টতা নেই। অবশ্য মাঠ পর্যায়ে প্রতিবন্ধি ভাতা নিয়ে দু’একটি অভিযোগ তিনি শুনেছেন স্বিকার করে বলেন, যদি এসব অভিযোগ সত্য হয় তাহলে যারা দোষি তাদের শাস্তি হবে। গরিবের হক কাউকে লুট করতে দেবো না।
৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য অপুর সরকার বলেন, প্রকাশিত খবরে তার বরাত দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রতিবন্দি ভাতার ৩৬শ’ টাকা প্রদানের যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে চেয়ারম্যান এই ভাতার টাকা উত্তোলনের ব্যাপারে কিছু জানেননা।
৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার কামরুল ইসলাম বলেন, সমাজসেবা অফিস থেকে ভাতার বই পাওয়ার পর চেয়ারম্যানের নিকট থেকে সেসব বই সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্টদের দিয়ে দেয়া হয়েছে। এখানে চেয়ারম্যান সাহেবের কোন দোষ নেই।
সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার বিশ্বাস বলেন, সবমিলিয়ে ৩০টি বই ঘোষপুর ইউনিয়নে বরাদ্দ হয়েছে। এরমধ্যে ২২টি বই ইউপি চেয়ারম্যানের এবং বাকি আটটি উপজেলা চেয়ারম্যানের মনোনীত ব্যক্তিদের নামে। ঈদের মাত্র একদিন আগে বইগুলো পাওয়া গেছে তাই সময়মতো সেগুলো হয়তো সুবিধাভোগীদের হাতে পৌছেনি।
উল্লেখ্য, ঘোষপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে প্রতিবন্ধি ভাতা সংশ্লিষ্ট ভাতাভোগীদের না জানিয়ে ব্যাংক থেকে ভাতার টাকা উত্তোলন ও আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। উপজেলা সমাজসেবা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নে ৩০ জন প্রতিবন্ধিকে সরকার প্রদত্ত প্রতিবন্ধি ভাতাভোগীর আওতায় আনা হয়। সরকারি নীতমালা অনুযায়ী উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে প্রত্যেক প্রতিবন্দি ভাতাভোগীর নিকট ভাতার বই হস্তান্তর করার কথা থাকলেও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার প্রকাশ কুমার বিশ্বাস সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেনের কাছে গত ২৯ মে সবকটি বই হস্তান্তর করেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেন, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার অপু সরকার, সদস্য মো. কামরুল ইসলাম ও বোয়ালমারী সোনালী ব্যাংক শাখার দুই কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুল আলম ও মো. নজরুল ইসলামের যোগসাজশে ভাতাভোগী প্রতিবন্ধীদের না জানিয়ে ভূয়া লোক সাজিয়ে গত ৯ জুন ব্যাংক থেকে টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন। #
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে ওই ইউনিয়নের প্রতিবন্ধিদের নামে বরাদ্দের ভাতার টাকা আত্মসাতের যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয় বলে দাবী করেছেন ওই চেয়ারম্যান। আর এ অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি নিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন। এসময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার বিশ্বাস, ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ফুল মিয়া, ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার গোলাম রসুল, ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার কামরুল ইসলাম, ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার নান্নু মিয়া, ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাকিম খালাসী, সংরক্ষিত নারী সদস্য অপু সরকার, মনোয়ারা বেগম, আলেয়া বেগমসহ ভাতাপ্রাপ্ত কয়েকজন সুবিধাভোগী উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে ঘোষপুর ইউনিয়নে প্রতিবন্ধিদের ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকাশিত ওই খবরের প্রতিবাদ করেন সংশ্লিষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।
ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেন বলেন, ইউপি ও উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদেরই দলের মধ্যে থাকা একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে লেগেছে। তাই সাংবাদিকদের ভুল তথ্য সরবরাহ করে নানাভাবে এই অভিযোগ উত্থাপন করেছে। যার সাথে আমার কোনই সংশ্লিষ্টতা নেই। অবশ্য মাঠ পর্যায়ে প্রতিবন্ধি ভাতা নিয়ে দু’একটি অভিযোগ তিনি শুনেছেন স্বিকার করে বলেন, যদি এসব অভিযোগ সত্য হয় তাহলে যারা দোষি তাদের শাস্তি হবে। গরিবের হক কাউকে লুট করতে দেবো না।
৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য অপুর সরকার বলেন, প্রকাশিত খবরে তার বরাত দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রতিবন্দি ভাতার ৩৬শ’ টাকা প্রদানের যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে চেয়ারম্যান এই ভাতার টাকা উত্তোলনের ব্যাপারে কিছু জানেননা।
৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার কামরুল ইসলাম বলেন, সমাজসেবা অফিস থেকে ভাতার বই পাওয়ার পর চেয়ারম্যানের নিকট থেকে সেসব বই সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্টদের দিয়ে দেয়া হয়েছে। এখানে চেয়ারম্যান সাহেবের কোন দোষ নেই।
সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার বিশ্বাস বলেন, সবমিলিয়ে ৩০টি বই ঘোষপুর ইউনিয়নে বরাদ্দ হয়েছে। এরমধ্যে ২২টি বই ইউপি চেয়ারম্যানের এবং বাকি আটটি উপজেলা চেয়ারম্যানের মনোনীত ব্যক্তিদের নামে। ঈদের মাত্র একদিন আগে বইগুলো পাওয়া গেছে তাই সময়মতো সেগুলো হয়তো সুবিধাভোগীদের হাতে পৌছেনি।
উল্লেখ্য, ঘোষপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে প্রতিবন্ধি ভাতা সংশ্লিষ্ট ভাতাভোগীদের না জানিয়ে ব্যাংক থেকে ভাতার টাকা উত্তোলন ও আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। উপজেলা সমাজসেবা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নে ৩০ জন প্রতিবন্ধিকে সরকার প্রদত্ত প্রতিবন্ধি ভাতাভোগীর আওতায় আনা হয়। সরকারি নীতমালা অনুযায়ী উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে প্রত্যেক প্রতিবন্দি ভাতাভোগীর নিকট ভাতার বই হস্তান্তর করার কথা থাকলেও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার প্রকাশ কুমার বিশ্বাস সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেনের কাছে গত ২৯ মে সবকটি বই হস্তান্তর করেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেন, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার অপু সরকার, সদস্য মো. কামরুল ইসলাম ও বোয়ালমারী সোনালী ব্যাংক শাখার দুই কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুল আলম ও মো. নজরুল ইসলামের যোগসাজশে ভাতাভোগী প্রতিবন্ধীদের না জানিয়ে ভূয়া লোক সাজিয়ে গত ৯ জুন ব্যাংক থেকে টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন। #



0 comments :
Post a Comment