প্রেমিকের সাথে ধস্তাধস্তির সময় বাসের চাকা পিষ্ট আলফাডাঙ্গার মেয়ে সুমি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: 
প্রেমিক পুলিশের সাথে দেখা করতে এসে মহাসড়কের উপর ধস্তধস্তি ও টানাহেচড়ার একপর্যায় বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ গেল প্রেমিকা সাবিনা ইয়াসমিন সুমীর (২০)। রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বেদগ্রাম এলাকায় জিমনেসিয়াম উইমেন স্পোর্টস কমপ্লেক্সের সামনে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাবিনা ইয়াসমিন সুমী ফরিদপুরের বোয়ালমারী মহিলা কলেজের বিএ স¤œানের ছাত্রী এবং আলফাডাঙ্গা উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে।
এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের কনস্টেবল ও সুমীর প্রেমিক তুহিন ও তার অপর দুই সহকর্মী কনেস্টেবল মামুন ও মহেনকে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিেেছন, পুলিশ সদস্য তুহিন তার দুই সহকর্মীর সহায়তায় প্রেমিকা সুমীকে জিমনেসিয়াম ও উইমেন স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিতরে নিয়ে যাওার  জন্য মহাসড়কের উপর  জোর জবরদস্তি করতে থাকেন। একপর্যায় সুমী তার হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করলে তাদের মধ্যে ধস্তা-ধস্তি ও টানাহেচড়ার ঘটনা ঘটে। এসময় একটি দ্রুতগামী পরিবহন বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে সুমী ঘটনাস্থলে নিহত হন।
এদিকে দূর্ঘটনার  পর পর ওই ৩ পুলিশ কনেষ্টবল ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পলানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় জনগন তাদের আটক করে। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়।নিহত সুমীর বড় বোন খুরশিদা বেগম জানান, তাার ছোট বোন সুমীর সাথে গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে চাকরিরত পুলিশ কনেস্টেবল ও মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার মাধবহাট গ্রামের তুহিনের ৪-৫ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্কে চলছিল।
গোপালগঞ্জ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আমিনুল ইসলাম জানান, তাদের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পর্ক  ছিল বলে জানতে পেরেছি। ইতোমধ্যে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। ওই টীম বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
Share on Google Plus

About faridpur info 24

Faridpurinfo24.com-ফরিদপুরের তথ্য বাতায়নে আপনাদের স্বাগতম। ফরিদপুরের সকল খবরাখবর আপনাদের কাছে পৌছে দিতেই আমাদের এই প্রয়াশ। আপনার সকল মতামত ও বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন। সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. মনিরুল ইসলাম টিটো ফরিদপুর । মোবাইল: ০১৭১৬৩৪৬০৩০

0 comments :

Post a Comment