জনতার ঐক্যবদ্ধতার কাছে হেরে গেছে বন্যার পনির তোড়। ফরিদপুরের সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের খুশিরবাজার এলাকায় ফরিদপুরের সাথে সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলায় যাতায়াতের প্রধান সড়কটি ভয়াবহ বন্যার আগ্রাসনে পড়ে। বুধবার বিকালে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে আকষ্মিকভাবে সড়কটির প্রায় ৪০ ফুট অংশ ধ্বসে প্রবল বেগে পানি ঢুকতে শুরু করে বন্যামুক্ত এলাকায়। এসময় নিজেদের জানমাল রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়ে হাজারো মানুষ। সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন প্রশাসনও। যার যাকিছু ছিল তথা পাট, বাঁশ, খড়ি বস্তা, সে তাই নিয়েই ঝাঁপিয়ে পড়েন বন্যার পানি ঠেকাতে। এবং এক পর্যায়ে ঠেকিয়েও দেন বন্যা প্রবলতাকে। বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রনান্ত চেষ্টায় পানির প্রবলতাকে রুখে সড়কে বাঁধ পুনস্থাপনে সমর্থ হন। এতে হাসি ফোঁটে শংকায় থাকা হাজারো মানুষের মুখে।
স্থানীয়রা জানায়, পানির চাপে সড়কটির ওই অংশ ভেঙ্গে যায় এবং মুহুর্তের মধ্যে তা বড় হতে থাকে। ফলে ফরিদপুরের সাথে সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলার সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সড়ক ধ্বসে যাওয়ার পরপরই এলাকাবাসী প্রশাসনকে সংবাদ দেন এবং নিজেদের উদ্যোগে নিজেরাই ভাঙ্গন ঠেকানোর কার শুরু করেন। এবং রাতেই ভাঙ্গণ রোধ করতে সমর্থ হন।
তারা জানান, পাট, বাঁশ ও সুপরি গাছ কেটে ভেঙ্গেপড়া সড়কের দুই পাশে পাইলিং করে ভাঙ্গন ঠেকানোর কাজ করা হয়।
স্থানীয়দের দাবী, গত ০১আগষ্ট পাশের সদরপুর উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের দুইশ মিটার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করে ১৫-২০টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়। সেই পানির তোড়েই এই সড়কে ভাঙ্গনের ঘটনা ঘটে।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক সরদার সরাফত আলী জানান, সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম ও পানি উন্নয়ন রোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই এবং জনতার সহযোগীতায় ভাঙ্গন ঠেকাতে উদ্যোগ নেই।
উল্লেখ্য, ফরিদপুরে পদ্মার পানি বৃহস্পতিবার বিপদসীমার ৬৬ সেন্টিমিটার উপরে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। #
মো. মনিরুল ইসলাম টিটো
ফরিদপুর ০১৭১৬৩৪৬০৩০


0 comments :
Post a Comment