নাজিম বকাউল
ফরিদপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিডি সায়েতউল্লাহ-র বিরুদেধ ভয়-ভীতি দেখিয়ে ইটভাটা মালিকদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহত্তর ফরিদপুর জেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুরের পরিবেশ অধিদপ্তর। বৃহত্তর জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও রাজবাড়ী। ৫ জেলায় মোট ১০৪টি ইটভাটা রয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশ ইটভাটা নিয়ম-নীতি বর্হিভুত। যেমন- বেশিরভাগ ইটভাটাই ফসলী জমির উপর। পরিবেশ অধিদপ্তরের আইনে কোনো ইটভাটা ফসলী জমির উপর স্থাপন করতে পারবে না। এ বিষয়ে ফরিদপুরের পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিডি জানান, আমরা লাইসেন্স দেই পরিবেশ রক্ষার উপর। ইট তৈরী করার লাইসেন্স দেন জেলা প্রশাসক। তিনি আরো বলেন, আমাদের মতামতের পূর্বেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলআর ফান্ডের নামে টাকা নিয়ে ইট তৈরীর লাইসেন্স দিয়ে দেন। সেক্ষেত্রে আমাদের কিছুই করার থাকে না। তিনি ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, যারা অভিযোগগুলো করেছেন তারা অসত্য কথা বলেছেন। আমি কোনো ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করিনি। এদিকে বৃহত্তর ফরিদপুরের একাধিক ইটভাটার মালিকরা জানান, ভাটায় আগুন দেওয়ার পূবেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিডি; পরিবেশ অধিদপ্তরের মহা পরিচালকের নাম ব্যবহার করে অর্থ আদায় করেছেন। তাকে টাকা না দিলে কোনো অবস্থাতেই বছরের শুরুতেই ইট তৈরী করতে দেওয়া হবে না। অন্যথায় ভ্রাম্যমান আদালত এনে ইট ভাটা গুড়িয়ে দেওয়া হবে। আমরা বাধ্য হয়ে অর্থ প্রদান করি। ১০৪টি ভাটা থেকে সিজনে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আদায় করেছে ফরিদপুরের ডিডি।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজির সাথে যোগাযোগ করলে তার ফোন (০২৮১৮১৮০০) তার পিএ রিসিভ করে বলেন, স্যার মিটিং-এ আছেন, এখন কথা বলার সময় নেই।
0 comments :
Post a Comment