ফরিদপুর প্রতিনিধি :
সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) ফরিদপুর অঞ্চল, ডাল গবেষণা কেন্দ্র, বারি, গাজীপুর এবং স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিকালে ফরিদপুরের সদর উপজেলার ঈশুবপুর গ্রামে বারি মসুর-৭ উৎপাদন কার্যক্রমের উপর একটি কৃষক সমাবেশ ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বারি, ফরিদপুর অঞ্চলের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকতা ড. মোঃ মহি উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জনাব রুহুল কুদ্দুছ এর সঞ্চালনায় মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডাল গবেষণা কেন্দ্র, বারি, গাজীপুরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকতা ড. মোঃ আশরাফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৃত্তিকা সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুরের বিজ্ঞানী জনাব মোঃ কিবরিয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সেলিম আহমেদ। অনুষ্ঠানটির আয়োজন, সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও বারি উদ্ভাবিত বারি মসুর-৭ উৎপাদন কলাকৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বারি, ফরিদপুরের বিজ্ঞানীবৃন্দ। তাঁদেরকে সহায়তা করেন বৈজ্ঞানিক সহকারী ও সংশ্লিষ্ট এলাকার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে শতাধিক কৃষক-কৃষাণী অংশগ্রহন করেন।
অনুষ্ঠানে বারি মসুর-৭ উৎপাদন কলাকৌশল শীর্ষক গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড সরেজমিনে দেখানো ও এ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ননা দেন বারি এর বিজ্ঞানীবৃন্দ। অংশগ্রহনকারী কৃষকগণের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তাঁরা। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী কৃষকগণ বারি উদ্ভাবিত বারি মসুর-৭ উৎপাদন কলাকৌশল শীর্ষক গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডের প্রতি কৌতুহলী হন এবং জাতটির সম্ভাব্য ফলন, রোগ-পোকা প্রতিরোধ ক্ষমতা, উৎপাদন খরচ, দানার আকৃতি ও রং ইত্যাদি সম্বন্ধে সম্যক ধারনা লাভ করেন। তাঁরা প্রচলিত জাতগুলির সাথে এ জাতটির বিভিন্ন বৈশিষ্ট তুলনা করে জাতটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাঁরা প্রত্যক্ষ করেন যে প্রচলিত জাতের তুলনায় ২০-২৫% ফলন বেশী দেবে। তাঁরা আশা করেন যে আগামীতে কৃষক পর্যায়ে জাতটির ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং এতে মসুরের মোট উৎপাদন যেমন বাড়বে তেমনি কৃষকের আয়ও বাড়বে । #
0 comments :
Post a Comment